ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা না পড়া সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় দলিলের পর্যালোচনা ।

আসসালাম ওয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহে ওয়াবারাকাতাহু । সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য , যিনি বিশ্ব জাহানের ঘটনা প্রবাহের জন্য সঙ্গত কারন বা মাধ্যম নির্ধারন করেছেন এবং সলাত ও সালাম ঐ রাসূলের উপর বর্ষিত হোক যিনি সমস্ত জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন ।
কিছু ভাইরা ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা না পড়ার সপক্ষে সবচেয়ে শক্তিশালী যে দলিলটি দিয়ে থাকেন সেটি হল -
وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
আর যখন কুরআন পঠিত হয় তখন তা শোনো, আর চুপ করে থেকো, যেন তোমাদের প্রতি করুণা বর্ষিত হয়।
(সুরা আরাফ , আয়াত - ২০৪)
এই আয়াত স্বয়ং হানাফীদের বিরুদ্ধে যায় , কারন তারা ‘সুবহানাক আল্লাহুমা ওয়াবিহামদেকা’ পড়তে বলেন যদি মুত্তাদী সলাতে পরে যোগ দেয় ।
(ফাতওয়া আলমগিরী , খণ্ড ১ , পৃষ্ঠা ৯১)
এই আয়াতটি নাজিল হয় মক্কায় , আর এটা সুরা আরাফের একটি আয়াত যা মাক্কী সুরা নামেই অভিহিত । এর পরেও রাসূল (সাঃ) এর সাহাবাগন সলাতে কথা বলতেন । যতক্ষন না তাদের কাছে সুরা বাকারা , আয়াত ২৩৮ নাজিল হয় যেটা মাদীনা হিজরত এর পর নাজিল হয় ।
সেইজন্য সাহাবারা এই আয়াত বুঝতে পারেননি কিছু মানুষ বলে, রাসূল (সাঃ) তাদেরকে মক্কায় এটার প্রতি নিষেধ করতেন না । তাহলে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা ঠিক নয় । যখন সলাতের মধ্যে কথা বলাই নিষেধ ছিল না তখন সলাতের মধ্যে প্রসিদ্ধ কোরআন পড়া কিভাবে নিষেধ হল ?
(১) সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে ,
زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ: «كُنَّا نَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ يُكَلِّمُ أَحَدُنَا أَخَاهُ فِي حَاجَتِهِ» حَتَّى نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ: {حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} [البقرة: 238] «فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ»
যায়দ ইবনু আরকাম হতে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমরা সলাতের মধ্যে কথাবার্তা বলতাম আর আমাদের কেউ অন্য ভাইয়ের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলতেন । তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় {حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ} তখন আমাদেরকে চুপ থাকার নির্দেশ দেয়া হয় ।
(সহীহ বুখারী , হাদীস নং ৪৫৩৪ , তাঃপ্রঃ)
(২) তাহাওয়ী হানাফী এই হাদীস সম্পর্কে লেখেন
فقد ثبت بحديثه هذا ان نسخ الكالام فى الصلوة كان بالمدينة بعد قدوم رسول الله صلى الله عليه وسلم من مكة
(যায়দ ইবনু আরকাম) এর এই হাদীস দিয়ে এটা প্রমানিত হয় সলাতের মধ্যে কথা বলা রহিত হয়ে গেছে এবং এটা নাজিল হয় রাসূল (সাঃ) এর মক্কা থেকে মদীনা হিজরত করার পর । (শারহ মানী আল আসার ১/৩০৪)
একইভাবে বর্ণনা করেছেন ,
(১) আল্লামা আইনী হানাফি (উমদাতুল কারী ৭/২৬৯)
(২) মোল্লা আলী কারী হানাফী (মারকাত ৩/২৯)
(৩) ইবন তুরকামানী হানাফী (আল জোহার আল নাকী ২/৩৬১)
তাহলে এটা স্পষ্ট হল এই আয়াতের পর যখন ‘কথাবার্তা বলা’ নিষেধ ছিল না , তাহলে উম্মুল কোরআন কিভাবে নিষেধ হয়ে গেল ? ইনশআল্লাহ এই আয়াতের শানে নুজুল সম্পর্কে যে সকল দূর্বল রেওয়াতগুলিকে পেশ করা হয় তার বিশ্লেষণ করা হবে ।
এজন্যই ইমামফখরুদ্দিন আল-রাজী তার তাফসিরে ৪টি বিষয় উল্লেখ করার পরে ৫ম বিষয়ে বলেন:
وفي الآية قول خامس وهو أن قوله تعالى: { وَإِذَا قُرِىء ٱلْقُرْءانُ فَٱسْتَمِعُواْ لَهُ وَأَنصِتُواْ } خطاب مع الكفار في ابتداء التبليغ وليس خطاباً مع المسلمين، وهذا قول حسن مناسب
এই আয়াতে ৫ম একটা কথা আছে সেটা হচ্ছে এই যে, এই আয়াত মুসলিমদের জন্য নয় এই আয়াত প্রথমদিকের কাফিরদের জন্য। এই কথাটাই সবথেকে ভালো এবং যুক্তিযুক্ত।
তাই বিখ্যাত মুফাসসির ইমাম আল-রাজী নিজের থেকেই এই কওলটিকে সবথেকে সুন্দর ও যুক্তিযুক্ত বলেছেন কেননা কিছু মানুষ বলে যে সাহাবা (রা) গণ এই আয়াত বুঝেন নাই (নাউজুবিল্লাহ)।
তাই এটা প্রমানিত যে, যখন কোরআন পড়া হয় তখন কোরআন পড়া এর বিপরিত নয়। এই নিয়ম প্রথম জামানার উম্মাতে মুসলিমাহ থেকেই চলে আসছে “কেউ কোরআন পড়লে অন্যরাও পড়তো” এমনকি আহনাফরা আলেমরাও এরকমি করেছেন, তারা কেন এই নিয়ম বাদ দিলোনা যদি এটা কোরআনের বীপরিত হয়!
এইআয়াতটিদেখুন: وَإِذَاسَمِعُواْمَآأُنزِلَإِلَىٱلرَّسُولِتَرَىٰٓأَعۡيُنَهُمۡتَفِيضُمِنَٱلدَّمۡعِمِمَّاعَرَفُواْمِنَٱلۡحَقِّۖيَقُولُونَرَبَّنَآءَامَنَّافَٱكۡتُبۡنَامَعَٱلشَّـٰهِدِينَ (٨٣) (সুরা মায়েদা ৫/৮৩)
তাই এই আয়াত হতে প্রমানিত যে, সালাতে চুপিচুপি কোরআন পড়া ইমামের কোরআন পড়ার বীপরিত নয়।
এ সম্মন্ধ্যে কিছু যঈফ হাদীস:
1 . عن بشير بن جابر، قال: صلى ابن مسعود، فسمع ناسا يقرءون مع الإمام، فلـما انصرف، قال: أما آن لكم أن تفقهوا؟ أما آن لكم أن تعقلوا؟ وَإذَا قُرِىءَ القُرآنُ فـاسْتَـمِعُوا لَهُ وأنْصِتُوا كما أمركم الله.
বাশির বিন জাবির বলেন ইবনে মাসউদ লোকদের ইমামতি করলেন ও তিনি কিছু লোককে ইমামের পিছনে কুরআন পড়তে শুনলেন, তিনি সালাম ফেরার পরে বললেন: এখন কি সময় হয়নি যে তোমরা বুঝবে? এখন কি সময় আসেনি যে তোমরা তোমরা অনুধাবন করবে? শুনে রাখ যখন কোরআন পড়া হয় তখন তোমাকে তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং চুপ থাকবে কারণ আল্লাহ এই হুকুম দিয়েছেন।
(ইন ৭:২০৪, তাফসির আত-তাবারী, ৯/১১০ ৭:২০৪ এ দেখুন)
প্রথমেই সমস্যা হচ্ছে, বাশির বিন জাবির একজন মাজহুল রাবী। তার সম্মন্ধ্যে রিজালের কিতাবাদিতে কোন তথ্যা পাওয়া যায় না। কিছু লোক আছে যারা চালাকি করে তার নামের সাথে রাদিয়াল্লাহু আনহু দিয়ে বোঝাতে চান যে তিনি একজন সাহাবী যেন সাধারণ মানুষ তা বিশ্বাস করে। কিন্তু এটা ঠিক নয়। তিনি একজন মাজহুল রাবী তার সম্মন্ধ্যে আসমাউর রিজালের কিতাবে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না।
পুরো সনদটি হচ্ছে:
حدثنا أبو كريب، قال: ثنا الـمـحاربـي، عن داود بن أبـي هند، عن بشير بن جابر، قال: صلـى ابن مسعود، فسمع ناسا يقرءون مع الإمام، فلـما انصرف، قال: أما آن لكم أن تفقهوا؟ أما آن لكم أن تعقلوا؟ { وَإذَا قُرِىءَ القُرآنُ فـاسْتَـمِعُوا لَهُ وأنْصِتُوا } كما أمركم الله.
রাবী মাহরাবী হচ্ছেন মুদাল্লিস (তাবাকাত আল মুদাল্লিসিন , রাবী নং ৮০) এবং সে আন আন শব্দে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস যঈফ কেননা প্রথম রাবী মাজহুল এবং দ্বীতিয়ত মাহরাবীর মা’নান।
২. عن سعيد بن جبـير: وَإذَا قُرِىءَ القُرآنُ فـاسْتَـمِعُوا لَهُ وأنْصِتُوا قال: فـي الصلاة الـمكتوبة.
সাহবী সাঈদ বিন জুবায়ের বলেন, (যখন কোরআন পাঠ করা হয় তখন মনোযোগ দিয়ে শোনো ও চুপ থাকো) এটি ফরজ সালাতের জন্য নাজিল হয়েছে।
(তাফসির ইবনে জারীর ৯/১১০, ৭:২০৪ এর মধ্যে)
পুরো সনদ টি হচ্ছে:
قال: ثنا الـمـحاربـي، عن لـيث، عن مـجاهد، وعن حجاج، عن القاسم بن أبـي بزة، عن مـجاهد، وعنابن أبـي لـيـلـى، عن الـحكم، عن سعيد بن جبـير: { وَإذَا قُرِىءَ القُرآنُ فـاسْتَـمِعُوا لَهُ وأنْصِتُوا } قال: فـي الصلاة الـمكتوبة.
প্রথমত: আল মাহরাবী হচ্ছেন মুদাল্লিস (তাবাকাত আল মুদাল্লিসিন , রাবী নং ৮০) এবং তিনি আন আন শব্দে হাদীস বর্ণনা করেন, ফলে হাদীসটি যঈফ।
দ্বীতিয়ত: জমহুর মুহাদ্দীসদের কাছে রবী লাইস বিন আবি সালিম হচ্ছেন যঈফ। (দেখুন আসমা ওয়ার রিজালের কিতাবে) যেমন –
511 - لَيْث بن أبي سليم ضَعِيف كُوفِي
দাঈফ ওয়া আলমাতরুকিন নাসায়ী ৫১১
2815 - لَيْث بن أبي سليم بن زنيم اللَّيْثِيّ الْكُوفِي وَاسم أبي سليم أنس روى عَن مُجَاهِد وَطَاوُس وَابْن سِيرِين ضعفه ابْن عُيَيْنَة وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ أَحْمد مُضْطَرب الحَدِيث وَلَكِن قد حدث عَنهُ النَّاس وَقَالَ السَّعْدِيّ يضعف حَدِيثه وَقَالَ أَبُو حَاتِم الرَّازِيّ وَأَبُو زرْعَة لَا يشْتَغل بِهِ وَهُوَ مُضْطَرب الحَدِيث وَقَالَ ابْن حبَان اخْتَلَط فِي آخر عمره فَكَانَ يقلب الْأَسَانِيد وَيرْفَع الْمَرَاسِيل وَيَأْتِي عَن الثِّقَات بِمَا لَيْسَ من حَدِيثهمْ تَركه يحيى الْقطَّان وَيحيى بن معِين وَابْن مهْدي وَأحمد
আলদাঈফ ওয়া আলমাতরুকিন ইবন জাওজী , রাবী নং ২৮১৫
5126 - م عه / لَيْث بن أبي سليم اللَّيْثِيّ قَالَ أَحْمد مُضْطَرب الحَدِيث وَلَكِن حدث عَنهُ النَّاس وَقَالَ ابْن معِين وَالنَّسَائِيّ ضَعِيف وَقَالَ ابْن حبَان اخْتَلَط فِي آخر عمره وَقَالَ ابْن معِين أَيْضا لَا بَأْس بِهِ
আলমুগনী ফি আল দাঈফ ৫১২৬
তাহজীব আলতাহজীব ৮৩৫
এবং এর সানাদে রাবী আব্দুর রহমান বিন আবি লাইলা আছেন। জমহুর মুহাদ্দীসদের মতে তিনি যঈফ। (আল জারাহ ওয়া তাদিল ৭/৩২২, আল যঊফা ওয়া আল নাসায়ী ৫২৫)
যায়লাঈ হানাফি বলেন: সে যঈফ বা দুর্বল। (নাবুর রায়া ১/৩১৮)
তৃতিয়ত: রাবী হাজ্জাজ । ইনি একজন মুদাল্লিস রাবী (তাবাকাত আল মুদাল্লিসিন , রাবী নং ১১৮) । আমরা হানাফিদের কিতাব থেকে দেখাবো তার সম্মন্ধ্যে মন্তব্য কি আছে। তারা যখন যারাহ করেছেন ওলির মাধ্যমে নিকাহ। আলহামদুলিল্লাহ! তাছাড়াও এই রাবী অন্য একজায়গায় বর্ণিত হয়েছে। আমের পিট হানাফি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মাদ নিব আবদুল হাদী আস-সিন্ধী, তার লেখা সুনান ইবনে মাজাহ শরাহ গ্রন্থ “মিসবাহু আয-যুযাজাহ ফি জাওয়াহিদ ইবনে মাজাহ” ভলিউম.২ পৃষ্টা: ৪২৮ (পাবলিকেশ: দারুল মারিফাহ, বইরুত; ১৯৯৬) তিনি এই হাদীসের মন্তব্যে লেখেন:
আল জাওয়াইদ এর অনুসারে এর সানাদে আল-হাজ্জাজ আছেন যার আসল নাম ইবন আরতাহ। সে মুদাল্লিস। সে আন আন শব্দে হাদীস বর্ণনা করেন এবং তিনি ইকরিমা থেকে কিছুই শোনেনি। হাজ্জাজের তাদলীসের জন্য এটাও দাঈফ ।
(৩)وقال علي بن أبي طلحة عن ابن عباس في الآية قوله {وَإِذَا قُرِىءَ ٱلْقُرْءَانُ فَٱسْتَمِعُوا۴} يعني في الصلاة المفروضة
ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, {যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগের সাথে তা শ্রবণ করবে এবং নীরব নিশ্চুপ হয়ে থাকবে} এটা ‘ফরজ সলাতের’ ব্যাপারে নাজিল হয়েছে ।
(তাফসীরে ইবন কাসীর , ৭-২০৪)
এই সনদটিও দূর্বল , কারন আলী বিন আবি তালহা , ইবন আব্বাস (রাঃ) এর যুগ পাননি ।
على بن ابى طلحة أبو الحسن واسم ابى طلحة سالم مولى آل عباس بن عبد المطلب قدم على ابى العباس امير المؤمنين كان بالشام روى عن ابن عباس مرسل
আবু ত্বালহার পুত্র আলী (উপনাম) আবুল হাসান আর আবু ত্বালহার নাম সালেম। আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালেবের বংসধরের মাওলা। আমীরুল মুমেনীন আবুল আব্বাসের কাছে সে অবতরণ করে। সে শাম প্রদেশে ছিল। সে ইবনে আব্বাস থেকে মুরসাল বর্ণনা করে।
(বিস্তারিত দেখুন ইমাম আবী হাতিম এর আল জারাহ ওয়া আলতাদীল , রাবী নং ১০৩১)
وَقَال أبو حاتم (4) عن دحيم: لم يسمع من ابْن عَبَّاس التفسير.
আবু হাতেম দুহাইম থেকে বর্ণনা করেন যে, সে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে তাফসীর শুনে নাই।
وَقَال يعقوب بن إسحاق بن محمود (5) : وسئل يعني صالح بن محمد عن علي بن أَبي طلحة ممن سمع التفسير؟ قال: من لا أحد.
আর ইয়াকূব বিন ইসহাক বিন মাহমূদ বলেনঃ আর আলী বিন আবী তালহা কাদের থেকে তাফসীর শুনেছেনে এমন প্রশ্ন সালেহ বিন মুহাম্মাদকে করা হলে তিনি তার উত্তরে বলেন: কারো কাছ থেকেই নয়।
[(4) الجرح والتعديل: 6 / الترجمة 1031.
(5) تاريخ بغداد: 11 / 428 - 429.]
(তাহজীবুল কামাল , রাবী নং ৪০৯০ , রাবীর নাম – আলী বিন আবী তালহা)
একজন হানাফী আলেম মুহাম্মাদ জাহিদ আল খুসরী এই হাদীস সম্পর্কে লেখেন, ‘সনদ বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য হাদিসটি দূর্বল কারন আলী বিন আবী তালহা , ইবন আব্বাস (রাঃ) এর যুগ পাননি । (মাকামাত আল কাউসারী ৩৫৫)
পরিশেষে বলতে চাই যে সকল ভাইরা উক্ত দলিল দিচ্ছেন তাদের আরও একটি সহীহ হাদিস জানিয়ে দেই -

আশা করি এটা বলবেন না যে , আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে আপনি উক্ত আয়াত সম্পর্কে বেশী ওয়াকিবহাল আছেন ।
[sourse-https://www.facebook.com/notes/770612343034459/]
No comments:
Post a Comment