Abdullah AhmodabadiFollow
আমাদের
সালাফী-আহলে হাদীস ভাইদের উদ্দেশ্যে একটা প্রশ্ন করেছিলাম। দলিলসহ
দু’রাকাত নামায পড়তে কতগুলো কিতাব পড়া প্রযোজন। আমাদের সম্মানিত আহলে হাদীস
ভাইয়েরা সব জায়গায় সরব থাকলেও এখানে তারা নীরব থেকেছেন। তাদের এই নীরবতার হেতু জানতে ইচ্ছে করে।
আহলে হাদীস সালাফীদের ইমাম আলবানী সাহেব সিফাতুস সালাহ নামে একটা বই
করেছেন অনেক আগে। আলবানী সাহেবের বইটা তারা প্রচার করলেও এটা তারা মানেন
না। অনেক মাসআলায় আলবানী সাহেব আহলে হাদীসদের তৈরি মতবাদের ঘোর বিরোধীতা
করেছেন। যেসব মাসআলা নিযে আহলে হাদীস ভাইযেরা হৈ চৈ করে এর মধ্যে
গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা হলো, নামাযে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া হাত উঠানো। এই
মাসআলায় আলবানী সাহেব এর মতামত হলো, প্রত্যেক উঠা-বসায় হাত উঠাতে হবে। এটা
শুধু চার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। আহলে হাদীস ভাইয়েরা হানাফীদের বিরুদ্ধে
লিখলেও আলবানী সাহেবের বিরুদ্ধে নীরবতা পালন করে। এই নীরবতার রহস্য
উদঘাটনের দায়িত্ব পাঠকের। এছাড়া আরও অনেক মাসআলায় আলবানী সাহেব আহলে
হাদীসদের মুখ রাখেননি। এই বিষয়ে আমার সংক্ণিপ্তি একটা বই দেখতে পারেন,
নামায সংক্রান্ত 40 টি মাসআলায় আরব আলেমদের মাঝে মতবিরোধ। আলবানী সাহেব তার
সিফাতুস সালাহ তে কী পরিমাণ ভুল করেছেন, সেটা নিয়ে বিস্তারিত বই করার নিয়ত
আছে। আক্বিদা বিষয়ক কিছু কাজের কারণে হয়ে উঠছে না।
এবার মূল কথায় আসি। আলবানী সাহেব সিফাতুস সালাহ বইয়ে তাকবীরে তাহরীমা থেকে সালাম পর্যন্ত নামাযের পদ্ধতি হাদীসের আলোকে লিখেছেন। এই বইয়ে তিনি কী কী জালিয়াতি করেছেন এ সম্পর্কে সামান্য বর্ণনা পাবেন, দলিল সহ নামাযের মাসায়েল ও নবীজীর নামায বইয়ে। সিফাতুস সালাহ আরবী বইটা 226 পৃ. এর। এই বইটা লেখার জন্য 172 টা কিতাবের সহযোগিতা নিয়েছেন। এই কিতাবের অনেক হাদীসের উপর সমালোচনা হওয়ায় এই কিতাবের হাদীসগুলো বিশ্লেষণ করে আরেকটা কিতাব লিখেছেন। এটার নাম আসলু সিফাতিস সালাহ। কিতাবটা 1218 পৃ.এর। এ কিতাবে সাত শ এর বেশি হাদীস উল্লেখ করেছেন। এছাড়া অনেক আয়াত ও আসার তো আছেই। এই কিতাব লেখার জন্য কতগুলো কিতাবের সহযোগিতা নিয়েছেন, তা আর উল্লেখ করেননি।
আমার প্রশ্নটা আবার রিপিট করছি। আহলে হাদীস ভাইয়েরা সবাই দাবি করেন আমরা তাকলিদ করি না। কোন ইমাম মানি না। দু’রাকাত নামায আদায়ের জন্য আপনারা নিজেরা কখনও কি 1218 পৃ. এর এই বইটার প্রত্যেকটা বক্তব্য ও হাদীস যাচাই করেছেন? যেসব বই থেকে হাদীস নেয়া হয়েছে সেগুলো দেখেছেন? আলবানী সাহেব যে জালিয়াতি করেছে সেটা যাচাই করে নামায পড়েন? আপানারা কীভাবে দু’রাকাত নামায পড়েন জানতে চাই।
এবার মূল কথায় আসি। আলবানী সাহেব সিফাতুস সালাহ বইয়ে তাকবীরে তাহরীমা থেকে সালাম পর্যন্ত নামাযের পদ্ধতি হাদীসের আলোকে লিখেছেন। এই বইয়ে তিনি কী কী জালিয়াতি করেছেন এ সম্পর্কে সামান্য বর্ণনা পাবেন, দলিল সহ নামাযের মাসায়েল ও নবীজীর নামায বইয়ে। সিফাতুস সালাহ আরবী বইটা 226 পৃ. এর। এই বইটা লেখার জন্য 172 টা কিতাবের সহযোগিতা নিয়েছেন। এই কিতাবের অনেক হাদীসের উপর সমালোচনা হওয়ায় এই কিতাবের হাদীসগুলো বিশ্লেষণ করে আরেকটা কিতাব লিখেছেন। এটার নাম আসলু সিফাতিস সালাহ। কিতাবটা 1218 পৃ.এর। এ কিতাবে সাত শ এর বেশি হাদীস উল্লেখ করেছেন। এছাড়া অনেক আয়াত ও আসার তো আছেই। এই কিতাব লেখার জন্য কতগুলো কিতাবের সহযোগিতা নিয়েছেন, তা আর উল্লেখ করেননি।
আমার প্রশ্নটা আবার রিপিট করছি। আহলে হাদীস ভাইয়েরা সবাই দাবি করেন আমরা তাকলিদ করি না। কোন ইমাম মানি না। দু’রাকাত নামায আদায়ের জন্য আপনারা নিজেরা কখনও কি 1218 পৃ. এর এই বইটার প্রত্যেকটা বক্তব্য ও হাদীস যাচাই করেছেন? যেসব বই থেকে হাদীস নেয়া হয়েছে সেগুলো দেখেছেন? আলবানী সাহেব যে জালিয়াতি করেছে সেটা যাচাই করে নামায পড়েন? আপানারা কীভাবে দু’রাকাত নামায পড়েন জানতে চাই।
Rezuwanur Rahman Mohammadi ভিত্তিহীন! দলীল নাই!

No comments:
Post a Comment